Friday, August 24, 2018

আসক্তি কি? আসক্তিকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে? আসক্তির পূজা করে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহে জড়িত হওয়ার কারণগুলো কি? আসক্তির চিকিৎসা কি?,যখন কোন মানুষের অন্তরে শয়তান কু-মন্ত্রণা দেয়, এ ধরনের কু-মন্ত্রণা যখন মুসলিমের অন্তরে আসবে, তখন একজন মুসলিমের করণীয় কি?

আসক্তি কি? আসক্তিকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে? আসক্তির পূজা করে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহে জড়িত হওয়ার কারণগুলো কি? আসক্তির চিকিৎসা কি?,যখন কোন মানুষের অন্তরে শয়তান কু-মন্ত্রণা দেয়, এ ধরনের কু-মন্ত্রণা যখন মুসলিমের অন্তরে আসবে, তখন একজন মুসলিমের করণীয় কি?

ভূমিকা
الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد، وعلى آله وصحبه أجمعين.
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য যিনি সমগ্র সৃষ্টিকুলের রব। আর সালাত ও সালাম নবীগণের সেরা ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর এবং তার পরিবার-পরিজন ও সাথী-সঙ্গীদের সকলের উপর।
মনে রাখতে হবে, আসক্তি ও আসক্তির আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে কথা বলা বর্তমান যুগে প্রতিটি নর নারীর জন্য অতি জরুরি। কারণ, বর্তমানে আসক্তি-উত্তেজনা ও এর প্রভাব এতই বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমাদের দেশ ও সমাজ এক অজানা গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তারপরও দেশ, জাতি ও সমাজকে পশুত্ব ও পাশবিকতার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করার জন্য এ বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা ও খুঁটিনাটি বিষয়গুলো জানিয়ে দেয়া একান্ত জরুরী। পুস্তিকাটিতে আসক্তির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে। যেমন,
আসক্তি কি?
আসক্তিকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে?
আসক্তির পূজা করে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহে জড়িত হওয়ার কারণগুলো কি?
আসক্তির চিকিৎসা কি? ইত্যাদি বিষয়গুলো এ কিতাবে আলোচনা করা হবে।

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় : অহংকার , অহংকার কাকে বলে ? এবং অহংকারে পরিণতি কি?

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় : অহংকার , অহংকার কাকে বলে ? এবং অহংকারে পরিণতি কি? 

অহংকার বা কিবিরের সংজ্ঞাঃ

কিবিরের আভিধানিক অর্থ:
আল্লামা ইবনে ফারেছ রহ. বলেন, কিবির অর্থ: বড়ত্ব, বড়াই, অহংকার ইত্যাদি। অনুরূপভাবে الكبرياء অর্থও বড়ত্ব, বড়াই, অহংকার। প্রবাদে আছে:
ورثوا المجد كابرًا عن كابر.
অর্থাৎ, ইজ্জত সম্মানের দিক দিয়ে যিনি বড়, তিনি তার মত সম্মানীদের থেকে সম্মানের উত্তরসূরি বা উত্তরাধিকারী হন।
আর আল্লামা ইবনু মানযূর উল্লেখ করেন, الكِبْر শব্দটিতে কাফটি যের বিশিষ্ট। এর অর্থ হল, বড়ত্ব, অহংকার ও দাম্ভিক।
আবার কেউ কেউ বলেন, তাকাব্বারা শব্দটি কিবির হতে নির্গত। আর تَكابَر من السن শব্দটি দ্বারা বার্ধক্য বুঝায়। আর তাকাব্বুর ও ইস্তেকবার শব্দটির অর্থ হল, বড়ত্ব, দাম্ভিক ও অহমিকা।[1]
ইসলামী পরিভাষায় কিবিরের সংজ্ঞা:

নিফাক বা মুনাফিকী কাকে বলে এবং পরিণতি কি?

 নিফাক বা মুনাফিকী কাকে বলে এবং পরিণতি কি?

নিফাকের সংজ্ঞা:
নিফাকের আভিধানিক অর্থ:
(نفق) নূন, ফা ও কাফ বর্ণগুলোর সমন্বয়ে গঠিত শব্দটি অভিধানে দুটি মৌলিক ও বিশুদ্ধে অর্থে ব্যবহার হয়। প্রথম অর্থ দ্বারা কোন কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়া ও দূরীভূত হওয়াকে বুঝায় আর দ্বিতীয় অর্থ দ্বারা কোন কিছুকে গোপন করা ও আড়াল করাকে বুঝায়।
নিফাক শব্দটি ‘নাফাক’ শব্দ হতে নির্গত। ‘নাফাক’ অর্থ, জমির অভ্যন্তরে বা ভূ-গর্ভের গর্ত যে গর্তে লুকানো যায়, গোপন থাকা যায়। আর নিফাককে নিফাক বলে নাম রাখা হয়েছে, কারণ মুনাফিকরা তাদের অন্তরে কুফরকে লুকিয়ে রাখে বা গোপন করে।[1]
ইসলামি শরিয়তে নিফাকের অর্থ: নিজেকে ভালো বলে প্রকাশ করা আর অন্তরে খারাবী ও অন্যায়কে গোপন করা।
ইবনে জুরাইজ রহ. হতে বর্ণিত,

হজ্জ ও উমরা সফরে মৃত্যুবরণকারীদের মর্যাদা* প্রশ্ন: লোকমুখে বলতে শোনা যায় যে, “যারা হজ্ব বা উমরা করতে গিয়ে মারা যায় তারা জান্নাতি।” এ কথাটা কি সঠিক?

হজ্জ ও উমরা সফরে মৃত্যুবরণকারীদের মর্যাদা*
--------------------------
প্রশ্ন: লোকমুখে বলতে শোনা যায় যে, “যারা হজ্ব বা উমরা করতে গিয়ে মারা যায় তারা জান্নাতি।” এ কথাটা কি সঠিক?


উত্তর:
হজ্জ ও উমরা সফর নি:সন্দেহে বরকতপূর্ণ সফর। এ সফরে কেউ মৃত্যু বরণ করলে তার জন্য হাদীসে বিশেষ কতিপয় ফযিলত/মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু জান্নাতে প্রবেশ সংক্রান্ত হাদীসগুলো সহীহ নয়। নিম্নে এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা উপাস্থাপন করা হল:

🌀 ১) কেউ যদি দৃঢ়ভাবে হজ্জ/উমরা আদায়ের জন্য দৃঢ়ভাবে নিয়ত করে বা এই নিয়তে যাত্রা করে কিন্তু সে যদি হজ্জ বা উমরা আদায় করার পূর্বেই মৃত্যু বরণ করে তাহলে আল্লাহ তাআলা তাকে পূর্ণ হজ্জ ও উমরার পূর্ণ সওয়াব দান করবেন। কেননা, কোন ব্যক্তি যদি সৎ আমলের দৃঢ় নিয়ত করার পরে মারা গেলে আল্লাহ তাকে সে কাজটির পূর্ণ সওয়াব দান করেন। যেমন আল্লাহ বলেন:

Wednesday, August 22, 2018

জুম‘আ ও ঈদের খুৎবায় লাঠি ব্যবহার করা যাবে কি?

জুম‘আ ও ঈদের খুৎবায় লাঠি ব্যবহার করা যাবে কি?

-মুহাম্মাদ জালালুদ্দীন, দুর্গাপুর, রাজশাহী।
উত্তর : যেকোন খুৎবায় বা বক্তব্যের সময় হাতে লাঠি নিয়ে বক্তব্য দেওয়া রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিয়মিত সুন্নাত। হাকাম ইবনে হুযন আল-কুলফী বলেন, ‘আমি সপ্তম অথবা অষ্টম দিনে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট গেলাম। অতঃপর বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার সাথে সাক্ষাতের জন্য এসেছি। আপনি আমাদের কল্যাণের জন্য দো‘আ করুন। ... আমরা সেখানে কয়েকদিন অবস্থান করলাম। অবশেষে আমরা একদিন তাঁর সাথে জুম‘আর ছালাতে যোগ দিলাম। তিনি লাঠির উপর ভর দিয়ে খুৎবায় দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা করে বললেন, ‘হে মানবমন্ডলী!

প্রশ্নঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা যাবে? বিয়ের পরে অনেক শ্বশুর-শাশুরি পা ছুঁয়ে সালাম করার জন্য বাধ্য করে, কি করবো?

প্রশ্নঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা যাবে? বিয়ের পরে অনেক শ্বশুর-শাশুরি পা ছুঁয়ে সালাম করার জন্য বাধ্য করে, কি করবো?
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
উত্তরঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা, কদমবুসি করা বা পায়ে চুমু খাওয়া, পদধূলি নেওয়া - এই সবগুলো কাজ হচ্ছে মুশরেক জাতি হিন্দুদের অনুকরণে নিকৃষ্ট একটি বিদআ’ত। মূলত কবর মাযার পূজারী আর পীর পূজারীরা মুসলমানদের মাঝে এই কু-প্রথা ঢুকিয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, এই বেদাতীরা কবর মাযার ও তাদের পীর বুজুর্গদেরকে সেজদাহ পর্যন্ত করে (নাউযুবিল্লাহ), সুতরাং পা ছুঁয়ে সালাম করা তাদের কাছে কোন ব্যপারই না।
.
আফসোস !

দুই ‘ঈদে যেসব ভুলসমূহ এবং খারাপ কাজগুলোর ব্যাপারে আমরা মুসলিমদের সতর্ক করবো সেগুলো কী কী? ঈদ এর সালাতের পরে কবর যিরারত করা এবং ‘ঈদের রাতে রাত জেগে ‘ইবাদত করার বিধান কি?

দুই ‘ঈদে যেসব ভুলসমূহ এবং খারাপ কাজগুলোর ব্যাপারে আমরা মুসলিমদের সতর্ক করবো সেগুলো কী কী? ঈদ এর সালাতের পরে কবর যিরারত করা এবং ‘ঈদের রাতে রাত জেগে ‘ইবাদত করার বিধান কি?
‘ঈদ ও তার আনন্দ সমাগত হওয়ার সাথে সাথে আমরা কিছু জিনিসের ব্যাপারে নির্দেশনা দিতে চাই যেগুলো মানুষ আল্লাহর শারী‘আতকে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহকে না জেনে করে থাকে। যেমন:
১- ‘ঈদের আগের রাত পুরোটাই ‘ইবাদতের মাধ্যমে উজ্জীবিত করা শারী‘আতসম্মত এরূপ বিশ্বাস পোষণ করা :
কিছু মানুষ বিশ্বাস করে যে, ‘ঈদের রাত ‘ইবাদতের মাধ্যমে উজ্জীবিত করা শারী‘আতসম্মত। এটি এক ধরণের নতুন প্রবর্তিত বিষয় (বিদ‘আত), যা কিনা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত নয়। বরং এটি দ্বা‘ঈফ (দুর্বল) হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যাতে বলা আছে “যে ‘ঈদের রাতে জেগে থাকবে, তার হৃদয় কখনো মারা যাবে না যেদিন সব হৃদয় মারা যাবে।” এটি সহীহ হিসাবে প্রমাণিত হাদীস নয়। এটি বর্ণিত হয়েছে দুইটি ইসনাদের মাধ্যমে, যার একটি হল জাল বা বানোয়াট, আর অপরটি হল খুবই দুর্বল।
দেখুন-

ঈদের দিন এবং অন্যান্য দিনে নারীদের সুগন্ধি ও সাজগোজ করে পর্দা ছেড়ে বের হওয়ার বিধান কি?



ঈদের দিন এবং অন্যান্য দিনে নারীদের সুগন্ধি ও সাজগোজ করে পর্দা ছেড়ে বের হওয়া : এই সমস্যাটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে এবং কিছু মানুষ এই ব্যাপারটিকে খুব হালকা ভাবে নেয়। (এ ব্যাপারে আমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা করি।) কিছু নারী যখন তারা তারাউয়ীহ (তারাবীহ), ‘ঈদের সালাত আদায় অথবা অন্য জায়গায় বের হয় তখন তার সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরিধান করে এবং সবচেয়ে সুন্দর সুগন্ধি ব্যবহার করে- আল্লাহ তাদেরকে হিদায়াত করুন। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
যে নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে এবং লোকজনের পাশ দিয়ে এমনভাবে যায় যাতে তারা তার সৌরভ পেতে পারে সে একজন ব্যভিচারিণী”।
[এটি বর্ণনা করেছেন আন-নাসা’ঈ (৫১২৬); আত-তিরমিযী (২৭৮৬); আল-আলবানী ‘সহীহ আল-তারগীব ওয়া আত-তারহীব’ (২০১৯) এ একে হাসান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।]
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন:

নারীরা_কি_ঈদের_সালাতে_অংশ_গ্রহণ_করতে_পারবেন? ইসলাম_কী_বলে?

হ্যাঁ অবশ্যই নারীরা ঈদের সালাতে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদেরকে ঈদের সালাতে অংশ গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
যেমনটি হাদীসে এসেছে, ‘হযরত উম্মে আতিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে আদেশ করেছেন, আমরা যেন নারীদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাতে সালাতের জন্য (ঘর থেকে) বের করে দেই, পরিণত বয়স্কা, ঋতুবতী ও গৃহবাসিনীসহ সকলকেই। কিন্তু

রাসূল_সাল্লাল্লাহু_আলাইহি_ওয়াসাল্লামের_পক্ষ_থেকে_কোরবানী: কী_বলে_ইসলাম?

রাসূল সা. এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা যাবে কি যাবেনা এ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের মাঝে তিনটি মত পাওয়া যায়।
#এক- একদল ওলামায়ে কেরাম মনে করেন, রাসূল সা.এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা শুধু জায়েযই নয় বরং এটি উত্তম ও সৌভাগ্যের ব্যাপারও বটে। তাদের যুক্তি হল, রাসূল সা. যেহুতু উম্মতের পক্ষ থেকে কোরবানী করেছেন তাই উম্মত হিসাবে আমাদেরও উচিৎ তাঁর পক্ষ থেকে কোরবানী করা। দ্বিতীয়ত তারা তাদের মতের স্বপক্ষে একটি জঈফ হাদীসও দলিল হিসাবে উল্লেখ করে থাকেন সেটি হল-

কোরবানীর গোস্ত বন্ঠণের সঠিক নিয়ম কি? ৩ ভাগে ভাগ করা কি বাধ্যতামূলক ?

কোরবানীর গোস্ত বন্ঠণের সঠিক নিয়ম কি? ৩ ভাগে ভাগ করা কি বাধ্যতামূলক ? 
কোরবানির মাংস বন্ঠণের নিয়মঃ 

◉ কুরবানির গোশত কুরবানি দাতা নিজে খাবেন, ফকির-মিসকিনকে দান করবেন এবং আত্মীয়-স্বজনদের উপহার হিসেবে দিতে পারবেন।

(সূরা হজ্জ্ব: আয়াত ২৮;বুখারি: ৫৫৬৯)।

◉ কুরবানির গোশত যতদিন ইচ্ছা ততদিন
সংরক্ষণ করে খাওয়া যাবে।
(বুখারি: ৫৫৬৯)।

*কুরবানীর গোস্ত তিনভাগ করা মুস্তাহাব(উত্তম)।

আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন :

Monday, August 20, 2018

সুন্নাতে খাৎনা দেওয়ার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বয়স কত?

সুন্নাতে খাৎনা দেওয়ার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বয়স কত?
-যাকির, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
উত্তর : সুন্নাতে খাৎনা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে সাবালক হওয়ার পূর্বে করাই উত্তম (নববী, আল-মাজমূ‘ ১/৩০৩)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, খাৎনা যখন ইচ্ছা করা যায়। তবে সাবালক হওয়ার পূর্বেই করা উচিৎ যেমনটি আরবরা করে থাকে... (আল-ফাতাওয়াল কুবরা ১/২৭৫)। ইবনুল মুনযির বলেন,
খাৎনা করার সময় সম্পর্কে এমন কোন সংবাদ নেই যার দিকে ফিরে যাওয়া যায় এবং এমন কোন সুন্নাত নেই যার উপর আমল করা যায় (আল-ইশরাফ ৩/৪২৪)।

উল্লেখ্য, রাসূল (ছাঃ) সপ্তম দিনে হাসান ও হোসাইন (রাঃ)-এর খাৎনা করেছিলেন মর্মে যে হাদীছ এবং সপ্তম দিনে খাৎনা করা সুন্নাত মর্মে যে আছার বর্ণিত হয়েছে, তা যঈফ

যে নামে আত্নপ্রশংসা হয়, সে নাম রাখা বৈধ নয়। তাহলে ‘ইয়াযুদ্দীন, মুহিউদ্দিন, নাসিরুদ্দিন ইত্যাদি নাম রাখা বৈধ কি?

 যে নামে আত্নপ্রশংসা হয়, সে নাম রাখা বৈধ নয়। তাহলে ‘ইয়াযুদ্দীন, মুহিউদ্দিন, নাসিরুদ্দিন ইত্যাদি নাম রাখা বৈধ কি?



না, উক্ত সকল নাম তথা ঐ শ্রেণীর কোন নাম রাখা বৈধ নয়, যাতে আত্নপ্রশংসা হয়। মহানবী (সঃ) এই শ্রেণীর নাম শুনলে তা পরিবর্তন করে দিতেন।

এ কথা কি ঠিক যে, যার নাম “মুহাম্মদ” এবং মরিয়ম হবে সে জান্নাতী হবে এবং তাঁকে গালি দেওয়া ও প্রহার করা যাবে না?

এ কথা কি ঠিক যে, যার নাম “মুহাম্মদ” হবে সে জান্নাতী হবে এবং তাঁকে গালি দেওয়া ও প্রহার করা যাবে না?
এ কথা আদৌ সঠিক নয়। কারো নাম বা বংশ তাঁকে সন্মান ও মুক্তি দিতে পারে না। আসলে উক্ত কথা নবী (সঃ)-এর নাম নিয়ে অতিরঞ্জন ও মনগড়া অত্যুক্তি ছাড়া কিছু নয়। ২৩
অনুরূপ এ কথাও মনগড়া যে, যে মেয়ের নাম ‘মার‍্য়্যাম’, ‘মারিয়াম’ বা ‘মরিয়ম’ হবে সে জাহান্নামে যাবে না। কারণ তা এক নবীর মায়ের নাম।
ফুটনোটঃ২৩ (ইবন বায)

কিয়ামতে প্রত্যেক সন্তানকে কি তাঁর মায়ের নাম জুড়ে ডাকা হবে নাকি পিতার নাম ধরে?

 কিয়ামতে প্রত্যেক সন্তানকে কি তাঁর মায়ের নাম জুড়ে ডাকা হবে নাকি পিতার নাম ধরে?


কিয়ামতে প্রত্যেক সন্তানকে কি তাঁর মায়ের নাম জুড়ে ডাকা হবে?
এ ব্যাপারে যে হাদিস বর্ণিত আছে, তা সহীহ নয়।৫১ সুতরাং সঠিক হল এই যে, ‘প্রত্যেক সন্তানকে তাঁর বাপের নাম জুড়েই ডাকা হবে।’ মহানবী (সঃ) বলেছেন, ‘কিয়ামতে তোমাদেরকে তোমাদের ও তোমাদের বাপের নাম ধরে ডাকা হবে।’ নবী (সঃ) আরও বলেছেন,

কারোর নিজের জন্য রাজাধিরাজ বা শাহেনশাহ উপাধি ধারণ করা্র বিধান কি?

কারোর নিজের জন্য রাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করাও হারাম এবং কবীরা গুনাহ্।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
أَغْيَظُ رَجُلٍ عَلَى اللهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَخْبَثُهُ وَأَغْيَظُهُ عَلَيْهِ رَجُلٌ كَانَ يُسَمَّى مَلِكَ الْأَمْلَاكِ، لَا مَلِكَ إِلاَّ اللهُ.
‘‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা‘আলা সর্ব বেশি রাগান্বিত হবেন সে ব্যক্তির উপর এবং সে তাঁর নিকট সর্বনিকৃষ্টও বটে যাকে একদা রাজাধিরাজ বলে ডাকা হতো। অথচ সত্যিকার রাজা একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলাই’’। (মুসলিম ২১৪৩; বাগাওয়ী ৩৩৭০)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন:

কাউকে খারাপ বা মন্দ নামে ডাকার বিধান কি?

কাউকে খারাপ কোন নামে ডাকা হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَلَا تَلْمِزُوْا أَنْفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوْا بِالْأَلْقَابِ، بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوْقُ بَعْدَ الْإِيْمَانِ، وَمَنْ لَمْ يَتُبْ فَأُوْلَآئِكَ هُمُ الظَّالِمُوْنَ».
‘‘তোমরা অন্য কোন মুসলিম ভাইকে কোন কিছুর অপবাদ দিও না এবং কোন খারাপ নামেও ডেকো না। কারণ, কারোর জন্য ঈমান আনার পর ফাসিকী উপাধিটি খুবই নিকৃষ্ট। যারা উক্ত অপকর্ম থেকে তাওবা করবে না তারাই তো সত্যিকারার্থে যালিম’’। (’হুজুরাত : ১১)
কোন মানুষকে

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি না তার সমাধান:

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি না তার সমাধান:

‘মাওলা’ শব্দের অর্থ হচ্ছেঃ প্রভু, মনিব, বন্ধু, সাহায্যকারী, অভিভাবক, মিত্র, আযাদকৃত দাস ইত্যাদি। ইমাম নভুভী বলেন, এই শব্দের ১৬টি অর্থ আছে। এই কারণে শব্দটি সালাফে সালেহীনের মধ্যে ব্যবহারের প্রচলন ছিল। যেমন দাসগণ তাদের মনিবদের উদ্দেশ্যে ‘মাওলা’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা. এক হাদীছে দাসকে নিষেধ করেছেন মনিবকে ‘মাওলায়া’ বা আমার প্রভূ বলতে। আবার আরেক রেয়াওয়াতে অনুমতি দিয়েছেন যে দাস তার মনিবকে বলবে ‘সাইয়্যেদী ও মাওলায়া’। (উভয় বর্ণনা সহীহ মুসলিমে আছে)
এখানে ‘মাওলা’ শব্দের শেষে ‘ইয়া’ সর্বনাম যোগ করলে একবচন বক্তা বুঝায়, আর ‘না’ সর্বনাম যোগ করলে বহুবচন বক্তা বুঝায়।

সন্তানের আকীকার গোস্ত কি মা-বাবা খেতে পারবে না?

সন্তানের আকীকার গোস্ত কি মা-বাবা খেতে পারবে না?

আকীকার গোস্ত বণ্টন নিয়ে কোথাও কোথাও বিভ্রান্তি দেখা যায়। অনেকের ধারণা, সন্তানের আকীকার গোস্ত  মা-বাবা খেতে পারবে না। বরং আশেপাশের ঘর-বাড়ি এবং গরীব-মিসকীনের মাঝে বিলিয়ে দিতে হবে।
এ ধারণা ঠিক নয়। আকীকার গোস্ত সন্তানের মা-বাবা,পরিবার পরিজন,আত্নীয় স্বজন,প্রতিবেশী বা মিসকীন যে কেউ খেতে পারবে।

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত বিধানাবলি রাসুলুল্লাহ সঃ এর সুন্নাহ সমুহ

 আকীকা এবং এ সংক্রান্ত বিধানাবলি
যে সুন্নতগুলোর তাৎপর্য অনেক কিন্তু আমরা তার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেই না আকীকা তার অন্যতম। ইসলাম পূর্বকাল থেকে চলে আসা এই আমলের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। তিনি একে অনুমোদন করেছেন, নিজে করেছেন এবং অন্যদের করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। কিন্তু এ সুন্নতটি আজ বিস্মৃতপ্রায়। মুসলিমগণ এর আমল বাদ দিয়ে এর স্থলে চালু করেছেন নানা বিজাতীয় ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন রীতিনীতি।
অথচ ইসলামী মনস্তত্ত্ব বিবেচনায় আকীকার গুরুত্ব অপরিসীম। এর প্রতি আমরা উন্নাসিকতা দেখিয়ে নিজেদেরই বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছি। হাদীসের ইঙ্গিত থেকে যেমন অনুমিত হয়, এর সঙ্গে শিশুর পার্থিব ও অপার্থিব কল্যাণ জড়িত। আমরা দেখি নব জাতকের এটা-সেটা রোগ-বালাই লেগেই থাকে। রোজই তার চিকিৎসার পেছনে, পথ্য ও ওষুধ কিনতে গিয়ে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হয়। হাজার হাজার টাকা আমরা অসন্তুষ্টি আর অভিযোগ নিয়ে শিশুর অসুখ-বিসুখের পেছনে ব্যয় করতে পারি অথচ আকীকার মতো চমৎকার একটি আমল করতে পারি না, একটি বা দু’টি ছাগল জবাইয়ের মাধ্যমে। যার মাধ্যমে অনেক বিপদাপদ থেকেই বেঁচে যেতে পারে আমাদের প্রিয় আত্মজ।

আকীকা র ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাত সমুহ

আকীকা র ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাত সমুহ

মুআত্তা ইমাম মালেক (রঃ)কে আকীকাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ আমি আকীকাহ শব্দটি পছন্দ করি না। কারণ আকীকাহ শব্দটি আরবী عق শব্দ হতে গৃহীত। আক্কা অর্থ নাফরমানী করা অবাধ্য হওয়া। পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়াকে আরবীতে عقوق الوالدين উকুকুল ওয়ালিদাইন বলা হয়। তাই ইমাম মালেক (রঃ) সন্তান জন্ম উপলক্ষে এবাদত হিসেবে যেই পশু যবেহ করা হয় তাকে আকীকাহ নামে নামকরণ করাকে অপছন্দ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ 

ইসলামে আকীকা করার বিধান

 ইসলামে আকীকা করার বিধান

ভূমিকাঃ المقدمة  সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জন্য দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। দরূদ ও শান্তির অবিরাম ধারা বর্ষিত হোক নবীকুল শিরোমণী মুহাম্মাদ (সাঃ) এবং তাঁর পবিত্র বংশধর ও সম্মানিত সাথীদের উপর। ইসলাম একটি শান্তিময় জীবন বিধান। নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মৃত্যু বরণ করার পূর্বেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই দ্বীনকে মুসলমানদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। একজন মানুষের জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম সুন্দর সুন্দর বিধান প্রদান করেছে। নবজাতক শিশু জন্ম গ্রহণ করার পর সন্তানের পিতা-মাতা বা তার অভিবাবকের উপর আকীকার বিধান ইসলামের সৌন্দর্যময় বিধান সমূহের মধ্য হতে অন্যতম একটি বিধান। আমরা অত্র প্রবন্ধে ইসলামে আকীকার বিধান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব, ইনশা-আল্লাহ।
আকীকার অর্থঃ تعريف العقيقة ইসলামের পরিভাষায় সন্তান জন্ম গ্রহণ করার পর আল্লাহর শুকরিয়া ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যে পশু জবাই করা হয়, তাকে আকীকা বলা হয়।
আকীকার হুকুমঃ

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন (শিশুর কতিপয় নির্বাচিত নাম সহ)

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন

 (শিশুর কতিপয় নির্বাচিত নাম সহ)
ভূমিকা: শিশুর জন্মের পর তার জন্য একটি সুন্দর ইসলামী নাম রাখা প্রত্যেক মুসলিম পিতা-মাতার কর্তব্য। মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানদের ন্যায় বাংলাদেশের মুসলমানদের মাঝেও ইসলামী সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে শিশুর নাম নির্বাচন করার আগ্রহ দেখা যায়। এজন্য তাঁরা নবজাতকের নাম নির্বাচনে পরিচিত আলেম-ওলামাদের শরণাপন্ন হন। তবে সত্যি কথা বলতে কী এ বিষয়ে আমাদের পড়াশুনা অতি অপ্রতুল। তাই ইসলামী নাম রাখার আগ্রহ থাকার পরও অজ্ঞতাবশত আমরা এমনসব নাম নির্বাচন করে ফেলি যেগুলো আদৌ ইসলামী নামের আওতাভুক্ত নয়। শব্দটি আরবী অথবা কুরআনের শব্দ হলেই নামটি ইসলামী হবে তাতো নয়। কুরআনে তো পৃথিবীর নিকৃষ্টতম কাফেরদের নাম উল্লেখ আছে। ইবলিস, ফেরাউন, হামান, কারুন, আবু লাহাব ইত্যাদি নাম তো কুরআনে উল্লেখ আছে; তাই বলে কী এসব নামে নাম রাখা সমীচীন হবে!? তাই এ বিষয়ে সঠিক নীতিমালা আমাদের জানা প্রয়োজন।
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে-

ছেলে শিশুর ইসলামিক নাম “আ” দিয়ে

ছেলে শিশুর ইসলামিক নাম “আ” দিয়ে
ছেলের নাম আ দিয়ে
নামের অর্থ
আবদুল্লাহ আল্লাহর দাস
আবদুল আলি মহানের গোলাম
আবদুল আলিম মহাজ্ঞানীর গোলাম
আবদুল আযীম মহাশ্রেষ্ঠের গোলাম
আবদুল আযীয মহাশ্রেষ্ঠের গোলাম
আশা সুখী জীবন
আশিকুল ইসলাম ইসলামের বন্ধু
আবাদ অনন্ত কাল
আব্বাস সিংহ
আবদুল বারী সৃষ্টিকর্তার গোলাম
আয়মান আওসাফ নির্ভীক গুনাবলী
আইউব একজন নবীর নাম
আজম শ্রেষ্ঠতম

মেয়ে শিশুদের নাম “আ” অক্ষর দিয়ে

মেয়ে শিশুদের নাম “আ” অক্ষর দিয়ে


আরজু আকাঙক্ষা
আরমানী আশাবাদী
আছিয়া স্তম্ব
আজরা রায়হানা কুমারী সুগন্ধী ফুল
আজরা রাশীদা কুমারী বিদুষী
আজরা রুমালী কুমারী কবুতর
আজরা সাবিহা কুমারী রূপসী
আজরা সাদিয়া কুমারী সৌভাগ্যবতী
আজরা সাদিকা কুমারী পুন্যবতী

মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫২৮ টি ইসলামিক নামের বাংলা অর্থ= 528 Sweet Baby Girls Islamic Names With Bangla Meanings

 মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫২৮ টি ইসলামিক নামের বাংলা অর্থ= 528 Sweet Baby Girls Islamic Names With Bangla Meanings


মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫২৮ টি ইসলামিক নামের বাংলা অর্থ

========================================== 
১.আফরা = অর্থ = সাদা
২.সাইয়ারা = অর্থ = তারকা
৩.আফিয়া =অর্থ = পুণ্যবতী
৪.মাহমুদা = অর্থ = প্রশংসিতা
৫.রায়হানা = অর্থ = সুগন্ধি ফুল
৬.রাশীদা = অর্থ = বিদুষী
৭.রামিসা = অর্থ = নিরাপদ
৮.রাইসা =অর্থ = রাণী
৯.রাফিয়া = অর্থ = উন্নত
১০.নুসরাত = অর্থ = সাহায্য
 
১১.নিশাত = অর্থ = আনন্দ


১২.নাঈমাহ = অর্থ = সুখি জীবন যাপনকারীনী
১৩.নাফীসা = অর্থ = মূল্যবান
১৪.মাসূমা = অর্থ = নিষ্পাপ
১৫.মালিহা = অর্থ = রুপসী
১৬.হাসিনা = অর্থ = সুন্দরি
১৭.হাবীবা = অর্থ = প্রিয়া
১৮.ফারিহা = অর্থ = সুখি
১৯.দীবা = অর্থ = সোনালী
২০.বিলকিস = অর্থ = রাণী
২১.আনিকা =অর্থ = রুপসী
২২.তাবিয়া =অর্থ =অনুগত
২৩.তাবাসসুম =অর্থ = মুসকি হাসি
২৪.তাসনিয়া = অর্থ = প্রশংসিত
২৫.তাহসীনা = অর্থ = উত্তম
২৬.তাহিয়্যাহ = অর্থ = শুভেচ্ছা
২৭.তোহফা = অর্থ = উপহার
২৮.তাখমীনা = অর্থ = অনুমান
২৯.তাযকিয়া = অর্থ = পবিত্রতা
৩০.তাসলিমা = অর্থ = সর্ম্পণ
৩১.তাসমিয়া =অর্থ = নামকরণ
৩২.তাসনীম = অর্থ = বেহেশতের ঝর্ণা
৩৩.তাসফিয়া =অর্থ = পবিত্রতা
৩৪.তাসকীনা =অর্থ = সান্ত্বনা
৩৫.তাসমীম =অর্থ = দৃঢ়তা
৩৬.তাশবীহ =অর্থ = উপমা
৩৭.তাকিয়া শুদ্ধ চরিত্র
৩৮.তাকমিলা =অর্থ = পরিপূর্ণ
৩৯.তামান্না = অর্থ = ইচ্ছা
৪০.তামজীদা = অর্থ = মহিমা কীর্তন
৪১.তাহযীব = অর্থ = সভ্যতা
৪২.তাওবা = অর্থ = অনুতাপ
৪৩.তানজীম = অর্থ = সুবিন্যস্ত
৪৪.তাহিরা = অর্থ = পবিত্র
৪৫.তবিয়া = অর্থ = প্রকৃতি
৪৬.তরিকা = অর্থ = রিতি-নীতি
৪৭.তাইয়্যিবা = অর্থ = পবিত্র
৪৮.তহুরা = অর্থ = পবিত্রা
৪৯.তুরফা = অর্থ = বিরল বস্তু
৫০.তাহামিনা = অর্থ = মূল্যবান
 
৫১.তাহমিনা = অর্থ = বিরত থাকা
৫২.তানমীর ক্রোধ প্রকাশ করা
৫৩.ফরিদা =অর্থ = অনুপম
৫৪.ফাতেহা =অর্থ = আরম্ভ
৫৫.ফাজেলা =অর্থ = বিদুষী
৫৬.ফাতেমা =অর্থ = নিষ্পাপ
৫৭.ফারাহ =অর্থ = আনন্দ
৫৮.ফারহানা =অর্থ = আনন্দিতা
৫৯.ফারহাত =অর্থ = আনন্দ
৬০.ফেরদাউস বেহেশতের নাম
৬১.ফসিহা =অর্থ = চারুবাক
৬২.ফাওযীয়া =অর্থ = বিজয়িনী
৬৩.ফারজানা =অর্থ = জ্ঞানী
৬৪.পারভীন =অর্থ = দীপ্তিময় তারা
৬৫.ফিরোজা =অর্থ = মূল্যবান পাথর
৬৬.ফজিলাতুন =অর্থ = অনুগ্রহ কারিনী
৬৭.ফাহমীদা =অর্থ = বুদ্ধিমতী
৬৮.ফাবিহা বুশরা =অর্থ = অত্যন্ত ভাল শুভ নিদর্শন
৬৯.মোবাশশিরা =অর্থ =সুসংবাদ বাহী
৭০.মাজেদা =অর্থ = সম্মানিয়া
৭১.মাদেহা =অর্থ = প্রশংসা
৭২.মারিয়া =অর্থ = শুভ্র
৭৩.মাবশূ রাহ =অর্থ = অত্যাধিক সম্পদ শালীনী,
৭৪.মুতাহাররিফাত =অর্থ = অনাগ্রহী
৭৫.মুতাহাসসিনাহ =অর্থ = উন্নত
৭৬.মুতাদায়্যিনাত =অর্থ = বিশ্বস্ত ধার্মিক মহিলা,
৭৭.মাহবুবা =অর্থ = প্রেমিকা
৭৮.মুহতারিযাহ =অর্থ = সাবধানতা অবলম্বন কারিনী
৭৯.মুহতারামাত =অর্থ = সম্মানিতা
৮০.মুহসিনাত =অর্থ = অনুগ্রহ কারিনী
৮১.মাহতরাত =অর্থ = সম্মিলিত
৮২.মাফরুশাত =অর্থ = কার্ণিকার
৮৩.মাহাসানাত =অর্থ = সতী-সাধবী
৮৪.মাহজুজা =অর্থ = ভাগ্যবতী
৮৫.মারজানা =অর্থ = মুক্তা
৮৬.আমিনা =অর্থ = নিরাপদ
৮৭.আনিসা =অর্থ =কুমারী
৮৮.আদীবা =অর্থ =মহিলা সাহিত্যিক
৮৯.আনিফা =অর্থ =রুপসী
৯০.আতিয় =অর্থ =আগমনকারিণী
৯১.আছীর =অর্থ =পছন্দনীয়
৯২.আহলাম =অর্থ = স্বপ্ন
৯৩.আরজা =অর্থ =এক
৯৪.আরজু =অর্থ = আকাঙ্ক্ষা
৯৫.আরমানী =অর্থ =আশাবাদী
৯৬.আরীকাহ =অর্থ =কেদারা
৯৭.আসমাহ =অর্থ = =সত্যবাদীনী
৯৮.আসীলা =অর্থ = =চিকন
৯৯.আসিফা =অর্থ = =শক্তিশালী
১০০.আসিলা =অর্থ = =নিখুঁত
১০১.আদওয়া =অর্থ = =আলো
১০২.আতিকা =অর্থ = =সুন্দরি
১০৩.আফনান =অর্থ = =গাছের শাখা-প্রশাখা
১০৪.আসিয়া =অর্থ = শান্তি স্থাপনকারী
১০৫.মাছুরা =অর্থ = নল
১০৬.মাহেরা =অর্থ = নিপুনা
১০৭.মোবারাকা =অর্থ = কল্যাণীয়
১০৮.মুবতাহিজাহ =অর্থ = উৎফুল্লতা
১০৯.মাবশূ রাহ =অর্থ = অত্যাধিক সম্পদ শালীনী
১১০.মুবীনা =অর্থ = সুষ্পষ্ট
১১১.মুতাহাররিফাত =অর্থ = অনাগ্রহী
১১২.মুতাহাসসিনাহ =অর্থ = উন্নত
১১৩.মুতাদায়্যিনাত =অর্থ = বিশ্বস্ত ধার্মিক মহিলা
১১৪.মুতাকাদ্দিমা =অর্থ = উন্নতা
১১৫.মুজিবা =অর্থ = গ্রহণ কারিনী
১১৬.মাজীদা =অর্থ = গোরব ময়ী
১১৭.মহাসেন =অর্থ = সৌন্দর্য
১১৮.মুহতারিযাহ =অর্থ = সাবধানতা অবলম্বন কারিনী
১১৯.মুহতারামাত =অর্থ = সম্মানিতা
১২০.মুহসিনাত =অর্থ = অনুগ্রহ
১২১.শান্তা =অর্থ = শান্ত
১২২.তানিয়া =অর্থ = রাজকণ্যা
১২৩.শামীমা =অর্থ = সুগন্ধি
১২৪.তাহিয়া =অর্থ = সম্মানকারী
১২৫.ইসরাত =অর্থ = সাহায্য
১২৬.জুঁই একটি ফুলের নাম
১২৭.নাজমা =অর্থ = দামী
১২৮.সায়মা =অর্থ = রোজাদার,
১২৯.শারমিন =অর্থ = লাজুক
১৩০.জাকিয়া =অর্থ = পবিত্র
১৩১.হামিদা =অর্থ = প্রশংসিত
১৩২.নাদিয়া =অর্থ = আহবান ১৩৩.তানজুম =অর্থ = তারকা
১৩৪.মুনতাহা =অর্থ = পরিক্ষিত
১৩৫.লতিফা =অর্থ = ঠাট্টা
১৩৬.রিমা =অর্থ = সাদা হরিণ
১৩৭.পাপিয়া =অর্থ = সুকণ্ঠি নারী
১৩৮.নাসরিন =অর্থ = সাহায্যকারী
১৩৯.মনিরা =অর্থ = জ্ঞানী
১৪০.আফসানা =অর্থ = উপকথা
১৪১.জারা =অর্থ = গোলাম
১৪২.ফারিয়া =অর্থ = আনন্দ
১৪৩.ইরতিজা =অর্থ = অনুমতি
১৪৪.সুলতানা =অর্থ = মহারানী
১৪৫.নাদিরা =অর্থ = বিরল
১৪৬.হালিমা =অর্থ = দয়ালু
১৪৭.শিরিন =অর্থ = সুন্দরী
১৪৮.আক্তার =অর্থ = ভাগ্যবান
১৪৯.সামিয়া =অর্থ = রোজাদার
১৫০.শাহিনুর =অর্থ = চাঁদের আলো
 
১৫১.ইয়াসমিন =অর্থ = ফুলের নাম
১৫২.হাবিবা =অর্থ = প্রেমিকা
১৫৩.রোমানা =অর্থ = ডালিম
১৫৪.মমতাজ =অর্থ = উন্নত
১৫৫.শাকিলা =অর্থ = সুন্দরী
১৫৬.পারভেজ =অর্থ = বিজয়
১৫৭.সাইমা =অর্থ = উপবাসী
১৫৮.আয়েশা =অর্থ = সমৃদ্ধিশালী
১৫৯.নাহিদা =অর্থ = উন্নত
১৬০.মাহিয়া =অর্থ = নিবারণকারীনি
১৬১.সানজিদা =অর্থ = বিবেচক
১৬২.জেসমিন =অর্থ = ফুলের নাম।
১৬৩.নূসরাত =অর্থ = সাহায্য।
১৬৪.নাজীফা =অর্থ = পবিত্র।
১৬৫.নাইমাহ =অর্থ = সুখি জীবনযাপনকারীনী।
১৬৬.নাফিসা =অর্থ = মূল্যবান।
১৬৭.মুরশীদা =অর্থ = পথর্শিকা।
১৬৮.মাসূদা =অর্থ = সৌভাগ্যবতী।
১৬৯.আসিয়া =অর্থ = শান্তি স্থাপনকারী।
১৭০.আশরাফী =অর্থ = সম্মানিত।
১৭১.আনিসা =অর্থ = কুমারী।
১৭২.আনিফা =অর্থ = রূপসী।
১৭৩.আনওয়ার =অর্থ = জ্যোতিকাল।
১৭৪.আরিফা =অর্থ = প্রবল বাতাস।
১৭৫.আয়িশা =অর্থ = জীবন যাপন কারিণয়
১৭৬.আমীনা =অর্থ = আমানত রক্ষাকারণী।
১৭৭.আফরোজা =অর্থ = জ্ঞানী।
১৭৮.আয়মান =অর্থ = শুভ।
১৭৯.আকলিমা =অর্থ = দেশ।
১৮০.ইসমাত আফিয়া =অর্থ = পূর্ণবতী।
১৮১.কামরুন =অর্থ = ভাগ্য
১৮২.রীমা =অর্থ = সাদা হরিণ।
১৮৩.সায়িমা =অর্থ = রোজাদার।
১৮৪.শাহানা =অর্থ = রাজকুমারী।
১৮৫.শাফিয়া =অর্থ = মধ্যস্থতাকারিনী।
১৮৬.সাজেদা =অর্থ = ধার্মিক।
১৮৭.সাদীয়া =অর্থ = সৌভাগ্যবর্তী!
১৮৮.সালমা =অর্থ = প্রশন্ত।
১৮৯.তাসনিম =অর্থ = বেহশতী ঝর্ণা।
১৯০.হুমায়রা =অর্থ = রূপসী
১৯১.লাবীবা =অর্থ = জ্ঞানী
১৯২.ফাহমিদা =অর্থ = বুদ্ধিমতী
১৯৩.নার্গিস =অর্থ = ফুলের নাম
১৯৪.আফিফা =অর্থ = সাধ্বী
১৯৫.সাদিয়া =অর্থ = সৌভাগ্যবতী।
১৯৬.জাবিরা=অর্থ =রাজিহওয়া।
১৯৭.জাদিদাহ=অর্থ =নতুন।
১৯৮.জাদওয়াহ=অর্থ =উপহার।
১৯৯.জাহান=অর্থ =পৃথিবী।
২০০.জালসান=অর্থ =বাগান।
২০১.জমিমা=অর্থ =ভাগ্য।
২০২.আমিনা=অর্থ = বিশ্বাসী।
২০৩.আনজুম=অর্থ = তারা।
২০৪.আকিলা=অর্থ = বুদ্ধিমতি।
২০৫.সাইদা=অর্থ =নদী
২০৬.সালীমা=অর্থ =সুস্থ
২০৭.সালমা আফিয়া=অর্থ = প্রশান্ত পূণ্যবতী
২০৮.সালমা আনিকা =অর্থ =প্রশান্ত সুন্দরী
২০৯.সালমা আনজুম =অর্থ = প্রশান্ত তারা
২১০.সালমা ফারিহা =অর্থ = প্রশান্ত সুখী
২১১.সালমা ফাওজিয়া =অর্থ = প্রশান্ত সফল
২১২.সালমা মাহফুজা=অর্থ = প্রশান্ত নিরাপদ
২১৩.ফারযানা =অর্থ = কৌশলী
২১৪.দিলরুবা =অর্থ = প্রিয়তমা
২১৫.নওশীন =অর্থ = মিষ্টি
২১৬.তূবা =অর্থ = সুসংবাদ
২১৭.জুলফা =অর্থ = বাগান
২১৮.যীনাত =অর্থ = সৌন্দর্য
২১৯.ঈশাত =অর্থ = বসবাস
২২০.রওশন =অর্থ = উজ্জ্বল
২২১.জেবা =অর্থ = যথার্থ।
২২২.শাবানা =অর্থ = রাত্রিমধ্যে।
২২৩.রহিমা =অর্থ = দয়ালু।
২২৪.আসমা =অর্থ = অতুলনীয়।
২২৫.দীনা =অর্থ = বিশ্বাসী।
২২৬.লায়লা =অর্থ = শ্যামলা।
২২৭.মুমতাজ =অর্থ = মনোনীত।
২২৮.মায়মুনা =অর্থ = ভাগ্যবতী।
২২৯.রশীদা =অর্থ = বিদূষী।
২৩০.রাওনাফ =অর্থ = সৌন্দর্য।
২৩১.রোশনী =অর্থ = আলো।
২৩২.রুমালী =অর্থ = কবুতর।
২৩৩.রুম্মন =অর্থ = ডালিম।
২৩৪.সাবিহা =অর্থ = রূপসী।
২৩৫.সাকেরা =অর্থ =কৃতজ্ঞ।
২৩৬.সাইদা =অর্থ = নদী।রা।
২৩৭.আমীরাতুন নিসা =অর্থ = নারীজাতির নেত্রী।
২৩৮.ইসমাত আফিয়া =অর্থ = পূর্ণবতী।
২৩৯.কামরুন =অর্থ = ভাগ্য
২৪০.সুফিয়া =অর্থ = আধ্যাত্মিক সাধনাকারী।
২৪১.জামিলা=অর্থ =সুন্দরী।
২৪২.আনতারা=অর্থ = বীরাঈনা।
২৪৩.সাগরিকা =অর্থ = তরঙ্গ
২৪৪.সহেলী =অর্থ = বান্ধবী
২৪৫.সাহিরা=অর্থ = পর্বত
২৪৬.সাইদা =অর্থ = নদী
২৪৭.মিনা =অর্থ = স্বর্গ
২৪৮.রুকাইয়া =অর্থ = উচ্চতর
২৪৯.রাবেয়া =অর্থ = নিঃস্বার্থ
২৫০.জোহরা =অর্থ = সুন্দর
 
২৫১.রাফা =অর্থ = সুখ
২৫২.নাঈমা =অর্থ = সুখ
২৫৩.আতিয়া =অর্থ = উপহার
২৫৪.আতিকা =অর্থ = সুন্দরী
২৫৫.আদিবা =অর্থ = লেখিকা
২৫৬.সুমাইয়া =অর্থ = উচ্চউন্নত।
২৫৭.মেহেরিন =অর্থ = দয়ালু।
২৫৮.মেহজাবিন =অর্থ = সুন্দরি।
২৫৯.মালিহা =অর্থ = সুন্দরি।
২৬০.ফাহিমা =অর্থ = জ্ঞানী
২৬১.আফরিন =অর্থ = ভাগ্যবান
২৬২.ফেরদৌস =অর্থ = পবিত্র
২৬৩.শাহিদা =অর্থ = সৌরভ সুবাস
২৬৪.নুসাইফা =অর্থ = ইনসাফ
২৬৫.উমায়ের =অর্থ = দীর্ঘায়ু বৃক্ষ
২৬৬.মাইমুনা =অর্থ = ভাগ্যবতী
২৬৭.নাবীলাহ =অর্থ = ভদ্র
২৬৮.নাফিসা আতিয়া =অর্থ =মুল্যবান উপহার
২৬৯.নাফিসা আয়মান =অর্থ = মুল্যবান শুভ
২৭০.নাফিসা গওহার =অর্থ = মুল্যবান মুক্তা
২৭১.নাফিসা লুবাবা =অর্থ = মুল্যবান খাঁটি
২৭২.নাফিসা লুবনা =অর্থ = মুল্যবান বৃক্ষ
২৭৩.নাফিসা মালিয়াত =অর্থ = মুল্যবান সম্পদ
২৭৪.নাফিসা নাওয়াল =অর্থ = মুল্যবান উপহার
২৭৫.নাফিসা রায়হানা =অর্থ = মুল্যবান সুগন্ধী ফুল
২৭৬.নাফিসা রুমালী =অর্থ = মুল্যবান কবুতর
২৭৭.নাফিসা রুম্মান =অর্থ =মুল্যবান ডালিম
২৭৮.নাফিসা শাদাফ =অর্থ = মুল্যবান ঝিনুক
২৭৯.নাফিসা শামা =অর্থ =মুল্যবান মোমবাতী
২৮০.নাফিসা শামীম =অর্থ =মুল্যবান সুগন্ধী
২৮১.নাফিসা তাবাসসুম =অর্থ =পবিত্র হাসি
২৮২.নাহলা =অর্থ =পানি
২৮৩.নায়লা =অর্থ =অর্জন কারিনী
২৮৪.নাসেহা =অর্থ =উপদেশ কারিনী
২৮৫.নাওশিন আনবার =অর্থ =সুন্দর ও সুগন্ধী
২৮৬.নাওশিন আনজুম =অর্থ =সুন্দর তারা
২৮৭.নাওশিন আতিয়া =অর্থ =সুন্দর উপহার
২৮৮.নাওয়াল গওয়ার =অর্থ =সুন্দর মুক্তা
২৮৯.নাওশিন রুমালী =অর্থ =সুন্দর ফুল
২৯০.নাওশিন সাইয়ারা =অর্থ =সুন্দরী তারা
২৯১.নাজীবাহ =অর্থ =ভত্র গোত্রে
২৯২.নিবাল =অর্থ =তীর
২৯৩.নীলূফা =অর্থ =পদ্ম
২৯৪.নিশাত আফাফ =অর্থ = চারিত্রিক শুদ্ধতা
২৯৫.নিশাত আফলাহ =অর্থ =আনন্দ অধিককল্যাণকর
২৯৬.নিশাত আনান =অর্থ =আনন্দ মেঘ
২৯৭.নিশাত আনবার =অর্থ =আনন্দ সুগন্ধী
২৯৮.নিশাত আনজুম =অর্থ =আনন্দ তারা
২৯৯.নিশাত আতিয়া =অর্থ =আনন্দ উপহার
৩০০.নিশাত ফরহাত =অর্থ =আনন্দ উল্লাস
৩০১.নিশাত গওহার =অর্থ =আনন্দ মুক্তা
৩০২.নিশাত লুবনা =অর্থ =আনন্দ বৃক্ষ
৩০৩.নিশাত মালিয়াত =অর্থ =আনন্দ সম্পদ
৩০৪.নিশাত মুনাওয়ারা =অর্থ =আনন্দ দিপ্তীমান
৩০৫.নিশাত নাবিলাহ =অর্থ = ভদ্র
৩০৬.নিশাত =অর্থ = সাদা হরিণ
৩০৭.হাসনা =অর্থ = সুন্দরী
৩০৮.সুরাইয়া =অর্থ = বিশেষ একটি নক্ষত্র
৩০৯.রামলা =অর্থ = বালিময় ভূমি
৩১০.মাশকুরা=অর্থ = কৃতজ্ঞতাপ্রাপ্ত
৩১১.নাফিসা=অর্থ = মূল্যবান।
৩১২.নাওয়ার=অর্থ = সাদা ফুল।
৩১৩.গওহর=অর্থ = মুক্তা।
৩১৪.বশীরা=অর্থ = উজ্জ্বল।
৩১৫.সাহেবী=অর্থ = বান্ধবী।
৩১৬.কানিজ =অর্থ = অনুগতা
৩১৭.আজরা রায়হানা=অর্থ = কুমারী সুগন্ধী ফুল
৩১৮.আজরা রাশীদা =অর্থ =কুমারী বিদুষী
৩১৯.আজরা রুমালী =অর্থ =কুমারী কবুতর
৩২০.আজরা সাবিহা =অর্থ =কুমারী রূপসী 
৩২১. আজরা সাদিয়া =অর্থ =কুমারী সৌভাগ্যবতী 
৩২২.আজরা সাদিকা=অর্থ = কুমারী পুন্যবতী 
৩২৩.আজরা সাজিদা =অর্থ =কুমারী ধার্মিক 
৩২৪.আজরা শাকিলা=অর্থ =কুমারী সুরূপা 
৩২৫. আজরা সামিহা =অর্থ =কুমারী দালশীলা 
৩২৬.আজরা তাহিরা =অর্থ =কুমারী সতী
৩২৭.আফিয়া আবিদা =অর্থ =পুণ্যবতী ইবাদতকারিনী
৩২৮.আফিয়া আদিবা =অর্থ =পুণ্যবতী শিষ্টাচারী
৩২৯.আফিয়া আদিলাহ =অর্থ =পুণ্যবতী ন্যায়বিচারক
৩৩০.আফিয়া আফিফা =অর্থ =পুণ্যবতী সাধ্বী আফিয়া
৩৩১.আয়েশা=অর্থ = পুণ্যবতী সমৃদ্ধি শালী
৩৩২.আফিয়া আমিনা =অর্থ =পুণ্যবতী বিশ্বাসী
৩৩৩.আফিয়া আনিসা =অর্থ =পুণ্যবতী কুমারী
৩৩৪.আফিয়া আনজুম=অর্থ = পুণ্যবতী তারা
৩৩৫.আফিয়া আনতারা=অর্থ = পুণ্যবতী বীরাঙ্গনা
৩৩৬.আফিয়া আকিলা =অর্থ =পুণ্যবতী বুদ্ধিমতী
৩৩৭.আফিয়া আসিমা =অর্থ =পুণ্যবতী সতী নারী
৩৩৮.আফিয়া আয়মান =অর্থ =পুণ্যবতী শুভ
৩৩৯.আফিয়া আজিজাহ=অর্থ = পুণ্যবতী সম্মানিত
৩৪০.আফিয়া বিলকিস=অর্থ = পুণ্যবতী রানী
৩৪১.আফিয়া ফাহমিদা =অর্থ =পুণ্যবতী বুদ্ধিমতী
৩৪২.আফিয়া হামিদা=অর্থ = পুণ্যবতী প্রশংসাকারিনী
৩৪৩.আফিয়া হুমায়রা =অর্থ =পুণ্যবতী রূপসী
৩৪৪.আফিয়া ইবনাত =অর্থ =পুণ্যবতী কন্যা
৩৪৫.আফিয়া মাহমুদা =অর্থ =পুণ্যবতী প্রশংসিতা
৩৪৬.আফিয়া মালিহা =অর্থ =পুণ্যবতী রূপসী
৩৪৭.আফিয়া মাসুমা =অর্থ =পুণ্যবতী নিষ্পাপ '
৩৪৮.আফিয়া মাজেদা =অর্থ =পুণ্যবতী মহতি
৩৪৯.আফিয়া মুবাশশিরা =অর্থ =পুণ্যবতী সুসংবাদ বহনকারী 
৩৫০.আফিয়া মুকারামী =অর্থ =পুণ্যবতী সম্মানিতা 
৩৫১.আফিয়া মুনাওয়ারা =অর্থ =পুণ্যবতী দিপ্তীমান 
৩৫২.আফিয়া মুরশিদা =অর্থ =পুণ্যবতী পথ প্রদর্শিকা 
৩৫৩.আফিয়া মুতাহারা =অর্থ =পুণ্যবতী পবিত্র 
৩৫৪.আফ;য়া নাওয়ার =অর্থ =পুণ্যবতী ফুল
৩৫৫.আফিয়া সাহেবী =অর্থ =পুণ্যবতী বান্ধবী
৩৫৬.আফিয়া সাইয়ারা=অর্থ = পুণ্যবতী তারা 
৩৫৭.আফরা আনিকা =অর্থ =সাদা রূপসী 
৩৫৮.আফরা আনজুম =অর্থ =সাদা তারা 
৩৫৯.আফরা আসিয়া=অর্থ = সাদা স্তম্ভ
৩৬০.আফরা বশীরা =অর্থ =সাদা উজ্জ্বল 
৩৬১.আফরা গওহর =অর্থ =সাদা মুক্তা 
৩৬২.আফরা ইবনাত =অর্থ =সাদা কন্যা 
৩৬৩.আফরা নাওয়ার=অর্থ = সাদা ফুল
৩৬৪.আফরা রুমালী =অর্থ =সাদা কবুতর 
৩৬৫.আফরা সাইয়ারা =অর্থ =সাদা তারা 
৩৬৬.আফরা ওয়াসিমা =অর্থ =সাদা রূপসী 
৩৬৭.আফরা ইয়াসমিন =অর্থ =সাদা জেসমিন ফুল 
৩৬৮.আইদাহ =অর্থ =সাক্ষাৎকারিনী 
৩৬৯.আশেয়া =অর্থ =সমৃদ্ধিশীল 
৩৭০.আমিনাহ=অর্থ = বিশ্বাসী
৩৭১.আনবার উলফাত =অর্থ =সুগন্ধী উপহার
৩৭২.অনিন্দিতা =অর্থ =সুন্দরী 
৩৭৩.আনিকা=অর্থ = রূপসী 
৩৭৪.আনিসা=অর্থ = বন্ধু সুলভ 
৩৭৫.আনিসা বুশরা =অর্থ =সুন্দর শুভ নিদর্শন 
৩৭৬.আনিসা গওহর =অর্থ =সুন্দর মুক্তা 
৩৭৭.আনিসা নাওয়ার =অর্থ =সুন্দর ফুল 
৩৭৮.আনিসা রায়হানা=অর্থ = সুন্দর সুগন্ধী ফুল '
৩৭৯.আনিসা শামা =অর্থ =সুন্দর মোমবাতি 
৩৮০.আনিসা শার্মিলা =অর্থ =সুন্দর লজ্জাবতী 
৩৮১.আনিসা তাবাসসুম=অর্থ = সুন্দর হাসি 
৩৮২.আনিসা তাহসিন =অর্থ = সুন্দর উত্তম 
৩৮৩.আনতারা আসীমা =অর্থ =বীরাঙ্গনা সতীনারী 
৩৮৪.আনতারা আনিকা =অর্থ =বীরাঙ্গনা সুন্দরী 
৩৮৫.আনতারা আনিসা=অর্থ = বীরাঙ্গনা কুমারী 
৩৮৬.আনতারা আজিজাহ =অর্থ =বীরাঙ্গনা সম্মানিতা 
৩৮৭.আনতারা বিলকিস=অর্থ = বীরাঙ্গনা রানী 
৩৮৯.আফিয়া শাহানা =অর্থ =পুণ্যবতী রাজকুমারী 
৩৯০.আফিয়া জাহিন =অর্থ =পুণ্যবতী বিচক্ষন 
৩৯১.আফিয়া যয়নাব =অর্থ =পুণ্যবতী রূপসী 
৩৯২.আফিফা সাহেবী =অর্থ =সাধবী বান্ধবী 
৩৯৩.আফরা আবরেশমী =অর্থ =সাদা সিল্ক
৩৯৪.আনতারা ফাহমিদা =অর্থ =বীরাঙ্গনা বুদ্ধিমতী
৩৯৫.আনতারা ফায়রুজ =অর্থ =বীরাঙ্গনা সমৃদ্ধিশালী '
৩৯৬.আনতারা হামিদা =অর্থ =বীরাঙ্গনা প্রশংসাকারিনী
৩৯৭.আনতারা হোমায়রা=অর্থ = বীরাঙ্গনা সুন্দরী
৩৯৮.আনতারা খালিদা=অর্থ =বীরাঙ্গনা অমর
৩৯৯.আনতারা লাবিবা=অর্থ = বীরাঙ্গনা জ্ঞানী
৪০০.আনতারা মালিহা=অর্থ = বীরাঙ্গনা রূপসী 
৪০১. আনতারা মাসুদা=অর্থ = বীরাঙ্গনা সৌভাগ্যবতী 
৪০২. আনতারা মুকাররামা =অর্থ =বীরাঙ্গনা সম্মানীতা 
৪০৩. আনতারা মুরশিদা=অর্থ = বীরাঙ্গনা পথ প্রদর্শিকা
৪০৪.আনতারা রাইদাহ =অর্থ =বীরাঙ্গনা নেত্রী
৪০৫.আনতারা রাইসা=অর্থ = বীরাঙ্গনা রানী 
৪০৬. আনতারা রাশিদা=অর্থ =বীরাঙ্গনা বিদূষী 
৪০৭. আনতারা সাবিহা =অর্থ =বীরাঙ্গনা রূপসী 
৪০৮.আনতারা শাহানা=অর্থ = বীরাঙ্গনা রাজকুমারী 
৪০৯.আনতারা শাকেরা =অর্থ =বীরাঙ্গনা কৃতজ্ঞ 
৪১০.আনতারা সামিহা=অর্থ = বীরাঙ্গনা দানশালী 
৪১১.আতকিয়া বাশীরাহ=অর্থ = ধার্মিক সুসংবাদদানকারীনী 
৪১২.আসমা আফিয়া =অর্থ =অতুলনীয় পুণ্যবতী
৪১৩. আসমা আনিকা =অর্থ =অতুলনীয় রূপসী
৪১৪.আসমা আনিসা =অর্থ =অতুলনীয় কুমারী
৪১৫.আসমা আকিলা=অর্থ = অতুলনীয় বুদ্ধিমতী
৪১৬.আসমা আতেরা =অর্থ =অতুলনীয় সুগন্ধী
৪১৭.আসমা আতিকা =অর্থ =অতুলনীয় সুন্দরী
৪১৮.আসমা আতিয়া =অর্থ =অতুলনীয় দানশীল
৪১৯.আসমা গওহার =অর্থ =অতুলনীয় মুক্তা
৪২০.আসমা হোমায়রা=অর্থ = অতুলনীয় সুন্দরী
৪২১.আসমা মালিহা=অর্থ = অতুলনীয় রূপসী
৪২২.আসমা মাসুদা =অর্থ =অতুলনীয় সৌভাগ্যবতী
৪২৩.আসমা নাওয়ার=অর্থ = অতুলনীয় ফুল 
৪২৪.আসমা রায়হানা =অর্থ =অতুলনীয় সুগন্ধী ফুল 
৪২৫.আসমা সাবিহা=অর্থ = অতুলনীয় রূপসী 
৪২৬.আসমা সাদিয়া=অর্থ = অতুলনীয় সৌভাগ্যবতী 
৪২৭.আসমা সাহেবী =অর্থ =অতুলনীয় বান্ধবী 
৪২৮.আসমা সাহানা =অর্থ =অতুলনীয় রাজকুমারী 
৪২৯.আসমা তাবাসসুম =অর্থ =অতুলনীয় হাসি 
৪৩০.আসমা তারাননুম =অর্থ =অতুলনীয় গুন গুন শব্দ
৪৩১.আসমা উলফাত =অর্থ =অতুলনীয় উপহার
৪৩২.আতেরা = অর্থ = সুগন্ধী 
৪৩৩.আতিকা = অর্থ = সুন্দরী 
৪৩৪.আতিকা তাসাওয়াল=অর্থ = সুন্দর সমতা
৪৩৫.আতকিয়া ফারিহা =অর্থ =ধার্মিক সুখী 
৪৩৬.আতিয়া আদিবা =অর্থ =দালশীল শিষ্টাচারী 
৪৩৭.আতিয়া আফিয়া =অর্থ =দানশীল পূর্নবতী 
৪৩৮.আতিয়া আফিফা=অর্থ = দানশীল সাধবী বান্ধবী 
৪৩৯.আতিয়া আয়েশা =অর্থ =দানশীল সমৃদ্ধিশালী 
৪৪০.আতিয়া আনিসা=অর্থ = দালশীলা কুমারী 
৪৪১.আতিয়া আজিজা =অর্থ =দানশীল সম্মানিত 
৪৪২.আতিয়া বিলকিস=অর্থ = দানশীল রানী 
৪৪৩.আতিয়া ফিরুজ =অর্থ =দানশীল সমৃদ্ধিশীলা 
৪৪৪.আতিয়া হামিদা =অর্থ =দানশীল প্রশংসাকারিনী 
৪৪৫.আতিয়া হামিনা=অর্থ = দানশীল বান্ধবী 
৪৪৬.আতিয়া ইবনাত=অর্থ = দানশীল কন্যা
৪৪৭.আতিয়া যয়নব =অর্থ =দানশীল রূপসী
৪৪৮.আতিয়া মাহমুদা =অর্থ =দানশীল প্রসংসিতা
৪৪৯.আতিয়া মাসুদা=অর্থ = দানশীল সৌভাগ্যবতী
৪৫০.আতিয়া রাশীদা=অর্থ = দানশীল বিদূষী
 
৪৫১.আতিয়া সাহেবী =অর্থ =দানশীল রূপসী
৪৫২.আতিয়া সানজিদা =অর্থ =দানশীল বিবেচক
৪৫৩.আতিয়া শাহানা =অর্থ =দানশীল রাজকুমারী
৪৫৪.আতিয়া শাকেরা =অর্থ =দানশীল কৃতজ্ঞ
৪৫৫.আতিয়া তাহিরা =অর্থ =দানশীল সতী 
৪৫৬.আতিয়া উলফা =অর্থ =সুন্দর উপহার 
৪৫৭.আতিয়া ওয়াসিমা =অর্থ =দানশীল সুন্দরী 
৪৫৮.আতকিয়া গালিবা=অর্থ = ধার্মিক বিজয়ীনি 
৪৫৯.আতকিয়া আবিদা =অর্থ =ধার্মিক ইবাদতকারিনী 
৪৬০.আতকিয়া আদিবা=অর্থ = ধার্মিক শিষ্টাচারী 
৪৬১.আতকিয়া আদিলা =অর্থ =ধার্মিক ন্যায় বিচারক 
৪৬২.আতিয়া আফিয়া =অর্থ =ধার্মিক পুণ্যবতী
৪৬৩.আতকিয়া আয়েশা =অর্থ =ধার্মিক সমৃদ্ধিশালী
৪৬৪.আতকিয়া আমিনা =অর্থ =ধার্মিক বিশ্বাসী
৪৬৫.আতকিয়া আনিকা =অর্থ =ধার্মিক রূপসী
৪৬৬.আতকিয়া আনিসা =অর্থ =ধার্মিক কুমারী
৪৬৭.আতকিয়া আনজুম =অর্থ =ধার্মিক তারা 
৪৬৮.আতকিয়া আনতারা =অর্থ =ধার্মিক বীরাঙ্গনা 
৪৬৯.আতিয়া আকিলা=অর্থ = ধার্মিক বুদ্ধমতী 
৪৭০.আতকিয়া আসিমা =অর্থ =ধার্মিক কুমারী 
৪৭১.আতকিয়া আতিয়া=অর্থ =ধার্মিক দানশীল 
৪৭২.আতকিয়া আয়মান =অর্থ =ধার্মিক শুভ 
৪৭৩.আতকিয়া আজিজাহ =অর্থ =ধার্মিক সম্মানিত 
৪৭৪.আতকিয়া বাসিমা =অর্থ =ধার্মিক হাস্যোজ্জ্বল 
৪৭৫.আতকিয়া বিলকিস =অর্থ =ধার্মিক রানী 
৪৭৬.আতকিয়া বুশরা=অর্থ = ধার্মিক শুভ নিদর্শন
৪৭৭.আতকিয়া ফাবলীহা =অর্থ =ধার্মিক অত্যন্ত ভাল
৪৭৮.আতকিয়া ফাহমিদা =অর্থ =ধার্মিক বুদ্ধিমতি
৪৭৯.আতকিয়া ফাইরুজ =অর্থ =ধার্মিক সমৃদ্ধিশালী
৪৮০.আতকিয়া ফাইজা=অর্থ = ধার্মিক বিজয়ীনি
৪৮১.আতকিয়া ফাখেরা =অর্থ =ধার্মিক মর্যাদাবান
৪৮২.আতকিয়া ফান্নানা=অর্থ = ধার্মিক শিল্পী
৪৮৩.আতকিয়া ফারজানা =অর্থ =ধার্মিক বিদূষী
৪৮৪.আতকিয়া ফাওজিয়া =অর্থ =ধার্মিক সফল
৪৮৫.আতকিয়া হামিদা =অর্থ =ধার্মিক প্রশংসাকারিনী
৪৮৬.আতকিয়া হামিনা=অর্থ = ধার্মিক বান্ধবী
৪৮৭.আতকিয়া জালিলাহ=অর্থ = ধার্মিক মহতী
৪৮৮.আতকিয়া জামিলা =অর্থ =ধার্মিক রূপসী
৪৮৯.আতকিয়া লাবিবা =অর্থ =ধার্মিক জ্ঞানী
৪৯০.আতকিয়া মাদেহা=অর্থ = ধার্মিক প্রশংকারিনী
৪৯১.আতকিয়া মাহমুদা =অর্থ =ধার্মিক প্রশংসিতা
৪৯২.আতকিয়া মায়মুনা =অর্থ =ধার্মিক ভাগ্যবতী
৪৯৩.আতকিয়া মালিহা=অর্থ = ধার্মিক রূপসী
৪৯৪.আতকিয়া মাসুমা =অর্থ =ধার্মিক নিষ্পাপ
৪৯৫.আতকিয়া মোমেনা =অর্থ =ধার্মিক বিশ্বাসী
৪৯৬.আতকিয়া মুকাররামা =অর্থ =ধার্মিক সম্মানিত
৪৯৭.আতকিয়া মুনাওয়ারা =অর্থ =ধার্মিক দীপ্তিমান
৪৯৮.আতকিয়া মুরশিদা =অর্থ =ধার্মিক প্রশংসিতা
৪৯৯.আতকিয়া সাদিয়া=অর্থ = ধার্মিক সৌভাগ্যবতী
৫০০.আতকিয়া সাঈদা =অর্থ =ধার্মিক পুণ্যবতী
৫০১.আতকিয়া সাহেবী =অর্থ =ধার্মিক বান্ধবী
৫০২.আতকিয়া সামিহা=অর্থ = ধার্মিক দানশীলা
৫০৩.আয়মান উলফাত =অর্থ =শুভ উপহার 
৫০৪.আযহা উজ্জল আজিজা =অর্থ =সম্মানিতা 
৫০৫.আজরা=অর্থ = কুমারী আজরা 
৫০৬.আবিদা =অর্থ =কুমারী ইবাদতকারিনী 
৫০৭.আজরা আদিবা =অর্থ =কুমারী শিষ্টাচার 
৫০৮.আজরা আদিলা =অর্থ =কুমারী ন্যায় বিচারক 
৫০৯.আজরা আফিয়া =অর্থ =কুমারী পুণ্যবতী
৫১০.আজরা আফিফা =অর্থ =কুমারী সাধবী
৫১১.আজরা আনতারা .কুমারী বীরাঙ্গনা 
৫১২.আজরা আকিলা =অর্থ =কুমারী বুদ্ধিমতী 
৫১৩.আজরা আসিমা =অর্থ =কুমারী সতী নারী 
৫১৪.আজরা আতিকা=অর্থ = কুমারী সুন্দরী 
৫১৫.আজরা আতিয়া =অর্থ =কুমারী দানশীল 
৫১৬.আজরা বিলকিস =অর্থ =কুমারী রানী 
৫১৭.আজরা ফাহমিদা =অর্থ =কুমারী বুদ্ধিমতী 
৫১৮.আজরা গালিবা =অর্থ =কুমারী বিজয়ীনি 
৫১৯.আজরা হামিদা =অর্থ =কুমারী প্রশংসাকারিনী 
৫২০.আজরা হোমায়রা =অর্থ =কুমারী সুন্দরী 
৫২১.আজরা জামীলা =অর্থ =কুমারী সুন্দরী 
৫২২.আজরা মাবুবা =অর্থ =কুমারী প্রিয়া
৫২৩.আজরা মাহমুদা=অর্থ = কুমারী প্রশংসিতা
৫২৪.আজরা মায়মুনা =অর্থ =কুমারী ভাগ্যবতী
৫২৫.আজরা মালিহা =অর্থ =কুমারী নিষ্পাপ 
৫২৬.আজরা মাসুদা =অর্থ =কুমারী সৌভাগ্যবতী 
৫২৭.আজরা মুমতাজ =অর্থ =কুমারী মনোনীত 
৫২৮.আজরা মুকাররামা =অর্থ = কুমারী সম্মানিত


Ahmed R Hossain

প্রশ্ন: সুদী ব্যাংকে চাকুরী করার বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ থাকার কারণে যদি কেউ সারা জীবন সুদী ব্যাংকে চাকুরী করে তাহলে চাকুরী থেকে অব্যহতি নেয়ার পর তার জন্য করণীয় কি?

প্রশ্ন: সুদী ব্যাংকে চাকুরী করার বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ থাকার কারণে যদি কেউ সারা জীবন সুদী ব্যাংকে চাকুরী করে তাহলে চাকুরী থেকে অব্যহতি নেয়...