Showing posts with label জায়েজ-নাজায়েজ বিষয় সমুহ. Show all posts
Showing posts with label জায়েজ-নাজায়েজ বিষয় সমুহ. Show all posts

Tuesday, August 28, 2018

*প্রশ্ন:* ক. সুদী ব্যাংকে চাকরীজীবি তার আয়ের টাকা দিয়ে কিছু উপহার দিলে কি সেটা নেয়া জায়েয হবে? খ. হারাম অর্থ উপার্জন করে এমন ব্যক্তির বাড়িতে কি দাওয়াত খাওয়া জায়েয হবে?

*প্রশ্ন:* ক. সুদী ব্যাংকে চাকরীজীবি তার আয়ের টাকা দিয়ে কিছু উপহার দিলে কি সেটা নেয়া জায়েয হবে?
খ. হারাম অর্থ উপার্জন করে এমন ব্যক্তির বাড়িতে কি দাওয়াত খাওয়া জায়েয হবে?
*উত্তর:*
হারাম সম্পদ দু প্রকার। যথা:
🔸 *১) মূল সম্পদটাই হারাম।* যেমন, চুরি-ডাকাতি বা ছিনতাই করা করা জিনিস বা টাকা পায়সা, সুদ ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকা ইত্যাদি। কেউ যদি সরাসরি সেই জিনিসটা উপাহার দেয়া বা সেই টাকা দ্বারা উপহার কিনে দেয় তাহলে তা গ্রহণ করা জায়েয নাই।
অনুরূপভাবে চুরি-ডাকাতি করা সেই খাদ্যদ্রব্য বা অর্থের মাধ্যমে ক্রয়কৃত খাবার খেতে দেয় তাহলে তা খাওয়া জায়েয হবে না।

Monday, August 20, 2018

যে নামে আত্নপ্রশংসা হয়, সে নাম রাখা বৈধ নয়। তাহলে ‘ইয়াযুদ্দীন, মুহিউদ্দিন, নাসিরুদ্দিন ইত্যাদি নাম রাখা বৈধ কি?

 যে নামে আত্নপ্রশংসা হয়, সে নাম রাখা বৈধ নয়। তাহলে ‘ইয়াযুদ্দীন, মুহিউদ্দিন, নাসিরুদ্দিন ইত্যাদি নাম রাখা বৈধ কি?



না, উক্ত সকল নাম তথা ঐ শ্রেণীর কোন নাম রাখা বৈধ নয়, যাতে আত্নপ্রশংসা হয়। মহানবী (সঃ) এই শ্রেণীর নাম শুনলে তা পরিবর্তন করে দিতেন।

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি না তার সমাধান:

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি না তার সমাধান:

‘মাওলা’ শব্দের অর্থ হচ্ছেঃ প্রভু, মনিব, বন্ধু, সাহায্যকারী, অভিভাবক, মিত্র, আযাদকৃত দাস ইত্যাদি। ইমাম নভুভী বলেন, এই শব্দের ১৬টি অর্থ আছে। এই কারণে শব্দটি সালাফে সালেহীনের মধ্যে ব্যবহারের প্রচলন ছিল। যেমন দাসগণ তাদের মনিবদের উদ্দেশ্যে ‘মাওলা’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা. এক হাদীছে দাসকে নিষেধ করেছেন মনিবকে ‘মাওলায়া’ বা আমার প্রভূ বলতে। আবার আরেক রেয়াওয়াতে অনুমতি দিয়েছেন যে দাস তার মনিবকে বলবে ‘সাইয়্যেদী ও মাওলায়া’। (উভয় বর্ণনা সহীহ মুসলিমে আছে)
এখানে ‘মাওলা’ শব্দের শেষে ‘ইয়া’ সর্বনাম যোগ করলে একবচন বক্তা বুঝায়, আর ‘না’ সর্বনাম যোগ করলে বহুবচন বক্তা বুঝায়।

Saturday, June 23, 2018

প্রশ্ন: অন্ধকার ঘরে কি নামাজ পড়া জায়েয আছে?

প্রশ্ন: অন্ধকার ঘরে কি নামাজ পড়া জায়েয আছে?
•••••••••••••••
উত্তর:
অন্ধকার ঘরে নামায আদায় করা জায়েয রয়েছে যদি কেবলার দিকে নামায পড়া হয়। নামাযের জন্য আলো থাকা শর্ত নয়। তাছাড়া একাধিক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্ধকার ঘরে সালাত আদায় করেছেন।
▪আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বিছানায় পাচ্ছিলাম না। তখন আমি আমার হাত দ্বারা তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। তখন আমার হাত তার পদযুগলের উপর পতিত হল। তখন তাঁর পা খাড়া ছিল আর তিনি ছিলেন সিজদারত। তিনি বলছিলেন:

প্রশ্ন: সুদী ব্যাংকে চাকুরী করার বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ থাকার কারণে যদি কেউ সারা জীবন সুদী ব্যাংকে চাকুরী করে তাহলে চাকুরী থেকে অব্যহতি নেয়ার পর তার জন্য করণীয় কি?

প্রশ্ন: সুদী ব্যাংকে চাকুরী করার বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ থাকার কারণে যদি কেউ সারা জীবন সুদী ব্যাংকে চাকুরী করে তাহলে চাকুরী থেকে অব্যহতি নেয়...